এন্তোনিও কন্তে কি পারবেন টটেনহ্যাম হটস্পার্স এর বিশাল ট্রফি খরা কাটিয়ে উঠতে? 

    প্রিমিয়ার লীগে যদি এমন একটি দলও থাকে যারা বছরের পর বছর ধরে তাদের সাফল্যের ঘাটতির জন্য একাধারে ফুটবল পন্ডিত, তাদের নিজেদের ও প্রতিপক্ষের সমর্থকদের ক্রমবর্ধমান বিদ্রুপের শিকার হয়ে এসেছে, তবে সেই দলটি হল টটেনহ্যাম হটস্পার্স। আপনি যদি আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লীগের শিরোপার লড়াই থেকে টটেনহ্যাম এর নামটি এখনি মুছে ফেলেন, সেটির জন্যও আপনাকে তৎক্ষনাৎ মাফ করে দেওয়া হবে, কারণ বহু বছর ধরে তারা এই ক্ষেত্রবিশেষে সবাইকে হতাশ করেই আসছে।

    ২০০৮ সালের পর থেকেই নর্থ লন্ডনের এই ঐতিহ্যবাহী দলটি কোন শিরোপা জয় করতে পারেনি। তখন থেকে আজ পর্যন্ত এই বিশাল সময়কালের মধ্যে লেস্টার সিটির মত দল ইংলিশ ফুটবলের তৃতীয় বিভাগ থেকে উঠে এসে প্রিমিয়ার লীগ এবং এফএ কাপ উভয় শিরোপাই জিতে নিয়েছে। ১৯৯২ এর পর থেকে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্সেনালও বেশ কয়েকবার প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা ও বিভিন্ন কাপ জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

    এছাড়া এই ব্যাপারটিও উল্লেখযোগ্য যে, ১৯৯২ সালের পর থেকে প্রিমিয়ার লীগের বর্তমান শীর্ষ ৬ দলের মধ্য থেকে শুধু টটেনহ্যাম হটস্পার্সই এমন একটি দল যারা প্রিমিয়ার লীগ বা এফএ কাপের মধ্য থেকে কোনটিই জিততে পারেনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মিডিয়াতে টটেনহ্যাম হটস্পার্সকে নিয়ে বিতর্ক বা বিদ্রুপ করার সময় ফুটবল বোদ্ধারা বার বার এমনি অনেক তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরে থাকেন।

    বেশ কিছু দিক থেকেই স্পার্স বার বার ব্যর্থ হয়ে আসছে (Spurs have failed on several fronts)

    হ্যারি রেডন্যাপের স্পার্স ম্যানেজার থাকাকালীন সময় ব্যতীত (যে সময়কালকে ধরা হয় গত ৩০ বছরের মধ্যে স্পার্সের জন্য শ্রেষ্ঠ সময়কাল) একমাত্র মৌরিসিও পচেত্তিনো’র সময়কালেই ক্লাবটিতে একটি আশার আলো দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। তিনিই ক্লাবটির সেরা কিছু খেলোয়াড়দেরকে আজকের খ্যাতি বা পরিচিতি অর্জনে সাহায্য করেছিলেন, যার মধ্যে অন্যতম হলেন হ্যারি কেইন, সন হিউং মিন এবং এরিক ডায়ার, যারা আজও দলটির সম্পূর্ণ ভার নিজেদের ঘারে তুলে নিয়ে এগুচ্ছেন। তবে, এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, দলটির পারফর্মেন্স লেভেল অনেকগুণে বৃদ্ধি করতে পারলেও সেটিকে যেকোন ধরণের শিরোপায় পরিণত করতে তিনি সক্ষন হোননি। তবে এটিও উল্লেখ্য যে, তিনি ক্লাবটিকে চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনালে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন, যেটি কি না ১৯৮০ এর দশকের পর থেকে স্পার্সের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিগুলির মধ্যে অন্যতম।

    পচেত্তিনো’র পরেই ক্লাবটিতে ম্যানেজার হয়ে আসেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ হিসেবে খ্যাত হোসে মোরিনহো। তাকে সকলেই একজন সিরিয়াল উইনার হিসেবেই চিনে থাকেন। হোসে মোরিনহো স্পার্সে যোগ দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খুবই হতাশাজনক দুইটি বছর কাটানোর পর, যার ফলে তাকে রেড ডেভিল কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত করে এবং তার বদলে ওলে গানার সলসকিয়েরকে নিজেদের ম্যানেজারের পদে অধিষ্ঠিত করে। মোরিনহো স্পার্সের হয়ে কোন গতি করতে না পারলেও গত মৌসুমের শুরুতে আবারও টটেনহ্যাম হটস্পার্সকে কেন্দ্র করে বেশ আশার উদ্রেক ঘটে, এবং তার পেছনে মূল কারণ ছিল তাদের নতুন কোচ নুনো এস্পিরিটো স্যান্টো। তার আগের বেশ কয়েকটি মৌসুম ধরে নুনো ওলভসের ম্যানেজার হিসেবে অসাধারণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এবং দলটিকে প্রিমিয়ার লীগের শীর্ষ ১০ এ একরকম প্রতিষ্ঠিতই করে দিয়েছিলেন। কিন্তু, তার আগের পর্তুগিজ কোচ মোরিনহোর মতই তিনিও সাফল্যের চাপে তলিয়ে পড়েন এবং খুব কম সময়ের মধ্যেই চাকরি হারান।

    পড়ুন:  প্রিমিয়ার লীগ ম্যাচউইক 31 অ্যাওয়ার্ডস

    তবে, তার মানে এই নয় যে স্পার্স সমর্থকদের সকল আশারই সমাপ্তি হয়ে গিয়েছে। নুনো যাবার পর পরই এমন সিদ্ধান্ত আসে যে সাবেক চেলসি, জুভেন্টাস ও ইন্টার মিলান কোচ এন্তোনিও কন্তে হবেন স্পার্সের পরবর্তী ম্যানেজার। এই সিদ্ধান্ত বা নিয়োগটিকে ধরা হয়েছিল স্পার্সকে আরেক লেভেল উপরে নেওয়ার পথে একটি বিশাল বড় ধাপ। এবং কিছুটা কষ্ট হলেও, তার প্রথম পরীক্ষায় কন্তে ভালোভাবেই পাশ করেছেন, স্পার্সকে তুলে এনেছেন প্রিমিয়ার লীগের শীর্ষ চারে।

    এন্তোনিও কন্তে’র অধীনে স্পার্স যেভাবে উন্নতি করেছে (How Spurs have improved under Antonio Conte)

    যখন ইতালিয়ান সুপারকোচ এন্তোনিও কন্তে ক্লাবটির দায়িত্ব নেন, তখন স্পার্স ছিল খুবই শোচনীয় একটি পরিস্থিতিতে। তাদের সকল বাজে পারফর্মেন্সের মধ্যেও একটি ছিল চরম পর্যায়ের বাজে, এবং সেটি হল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে তাদের ০-৩ গোলে হারার পারফর্মেন্সটি। সেই পারফর্মেন্সটির মাহাত্ম্য আপনি আরো ভালো করে বুঝতে পারবেন, যখন আপনি এ ব্যাপারটিও মাথায় রাখবেন যে যে দলটির কাছে তারা হেরেছে, সে দলটি গত ৪০ বছরের মধ্যে তাদের সবচেয়ে খারাপ মৌসুম পার করেছে। 

    কন্তেকে নিয়োগ করার পূর্বে টটেনহ্যাম হটস্পার্স দলের প্রত্যেকটি পজিশনেই ছিল নানাবিধ সমস্যার হাতছানি। তাদের রক্ষণভাগের পারফর্মেন্স ছিল একদমই বিদ্রুপাত্মক, কারণ সকল দলই তাদের বিরুদ্ধে হেসে খেলে গোল করতো, আবার তাদের মিডফিল্ড তো প্রায় অদৃশ্যই হয়ে পড়েছিল। তাদের পুরো দলই সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিল হ্যারি কেইন এবং সন হিউং মিন এর জুটিটির উপর।

    যখন কন্তে স্পার্সে যোগ দেন, তার পরেই প্রথম যে কাজটি তিনি করেছিলেন তা হল দলের সকল খেলোয়াড়দের ফিটনেসের উন্নতি সাধন। এরপর তিনি হাত দেন দলটির রক্ষণভাগে, এবং তারা যে গোলের পর গোল হজম করার অভ্যাস তৈরি করেছিল সেটি তিনি দূরীভূত করেন। তিনি সন হিউং মিন এর মধ্যে থেকে তার সেরাটা বের করে আনেন, এবং জানুয়ারি বা শীতকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে বেশ কিছু অনবদ্য সাইনিং সম্পন্ন করেন, যার ফলে ক্লাবটি শীর্ষ চারের দৌড়ে আবারও ফিরে আসে। 

    জুভেন্টাস থেকে ডেয়ান কুলুসেভস্কি এবং রড্রিগো বেনতানকুর এর মত অসাধারণ প্রতিভা দলে আনার ফলে টটেনহ্যাম এর আক্রমণভাগ আরো মজবুত হয় এবং তাদের করা গোলের সংখ্যাও বহুগুণে বৃদ্ধি পেতে থাকে।

    পড়ুন:  ওলেক্সান্ডার জিনচেঙ্কোর নিকট হতে আর্সেনালের কেমন প্রত্যাশা রাখা উচিৎ?

    অন্যান্য বড় বড় দলের তুলনায় স্পার্সের দলগত শক্তি কোন পর্যায়ে রয়েছে? (How do Spurs compare against the other big guns?)

    বর্তমানে চলমান গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে স্পার্স বেশ ব্যস্তই রয়েছে বলা যায়। ক্লাবের স্কাউটরা এবং স্বয়ং মালিকসহ সকল কর্মকর্তারা এই ব্যাপারটিতে বদ্ধ পরিকর যে এন্তোনিও কন্তে এবার দলটিকে তৈরি করার জন্য যা যা চাইবেন, তাকে তাই এনে দিতে আপ্রাণ চেষ্টা তারা করবেন। ক্লাবটির একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ স্টেকহোল্ডার সংস্থা ক্লাবটিতে ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করেছে, শুধুমাত্র এই লক্ষ্যে যেন কন্তে তার পছন্দের খেলোয়াড়দের দলে ভেড়াতে পারেন।

    স্পার্স ইতিমধ্যে বেশ কিছু আশাজনক সাইনিংও সম্পন্ন করে ফেলেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলেন মালিয়ান বক্স টু বক্স মিডফিল্ডার ইভ্স বিসুমা, ক্রোয়েশিয়ান উইংগার/উইং ব্যাক ইভান পেরিছিচ, হুগো লরিস এর নাম্বার টু ফ্রেজার ফোরস্টার, এবং ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড রিচার্লিসন।

    তাদের দলে ইতিমধ্যে থাকা অসাধারণ প্রতিভাবান ও লড়াকু সব খেলোয়াড়দের পাশাপাশি এসকল নতুন সাইনিং এর দরুণ এখন একটি কথা হলপ করেই বলা যায়, এবং তা হল যে, আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লীগ এবং ইউরোপের যেকোন দলকে টক্কর দেওয়ার মত দল এখন স্পার্সের কাছে রয়েছে।

    সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে দারুণ ও আলোচিত ফরোয়ার্ড জুটি — হ্যারি কেইন এবং সন হিউং মিন — ইতিমধ্যে স্পার্সের দখলে রয়েছেন। এই দুই অসাধারণ প্রতিভা মিলে গত মৌসুমে সর্বমোট ৩৭টি গোল করতে সক্ষম হোন, যার মধ্যে অনেকগুলিতেই তারা একে অপরকে এসিস্টও করেছেন। টটেনহ্যাম হটস্পার্স এর হয়ে গত মৌসুমসহ বিগত বেশ কিছু মৌসুম ধরেই তারা দুইজনই সেরা খেলোয়াড়ের তোকমা মাথায় চড়িয়ে আসছেন, এবং তারা দলে থাকা মানেই হচ্ছে নিশ্চিত গোল, এসিস্ট এবং অনেক অনেক পয়েন্ট।

    টটেনহ্যাম হটস্পার্স এর দখলে আরো রয়েছেন প্রিমিয়ার লীগের সেরা গোলকিপারদের একজন — ফ্রান্স জাতীয় দলের অধিনায়ক হুগো লরিস। তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ এবং বুদ্ধিমান একজন গোলকিপার, এবং তার দিনে তার গোলে বল জড়ানো প্রায় অসম্ভবেরই কাছাকাছি। গত মৌসুমের প্রথমার্ধে ডিফেন্স থেকে অ্যাটাকে যাওয়া নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল স্পার্সকে, তবে গত শীতকালীন এবং বর্তমান গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে তারা যেসব সাইনিং করিয়েছে, তাতে সেই সমস্যাটিও অনেকটাই দূরীভূত হয়ে যাওয়ারই কথা। 

    এটি অবশ্য বলাই বাহুল্য যে, তাদের ভালো করতে হলে দলটির পুরো ডিফেন্স জুড়েই নানা ধরণের পরিবর্তন আনা বেশ জরুরি, বিশেষ করে তাদের রক্ষণভাগের ডান পাশের দিকটিতে। সেখানে ব্রাজিলিয়ান যুবা তারকা এমারসনের বেশ দারুণ গতি থাকলেও ডিফেন্সিভ দিক দিয়ে তিনি একদমই পটু নন। স্পার্স এর নাম তাই বহু ডিফেন্সিভ খেলোয়াড়দের সাথেই জড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন মিডল্সবোরো এর জেড স্পেন্স (যিনি গত মৌসুম লোনে কাটিয়েছেন নটিংহ্যাম ফরেস্ট এ) এবং বার্সেলোনার ক্লেমন্ট লঙলে।

    পড়ুন:  গেমসপ্তাহ 28 এর জন্য FPL সেরা বাছাই

    কোন শিরোপাকে লক্ষ্য বানানো স্পার্সের জন্য বাস্তবসম্মত হবে? (Which trophy can Spurs realistically target?)

    এই আসন্ন মৌসুমটি টটেনহ্যাম হটস্পার্স এর ইতিহাসে একটি বাঁচা মরার মৌসুম হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হবে বলেই ফুটবল বোদ্ধারা মনে করছেন। তারা শেষ যেবার কোন শিরোপা জিতেছেন, তার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনদিনই এমনটি মনে হয়নি যে তারা আবার কোন শিরোপা জিততে চলেছেন। গত মৌসুমের শেষ ভাগে তাদের পারফর্মেন্স দেখে অবশ্য মনে হয়েছে যে, কন্তে’র গাইডলাইন এর অধীনে তারা আগামী মৌসুমে কমপক্ষে কোন একটি ঘরোয়া কাপ জেতার সামর্থ্য অবশ্যই রাখেন। 

    বাস্তবসম্মত তরিকায় চিন্তা করলে এটি পানির মত স্পষ্ট যে, শক্তিমত্তার দিক থেকে স্পার্স এখনো ম্যানচেস্টার সিটি বা লিভারপুলের ধারে কাছেও পৌঁছাতে সক্ষম হয়নি। তবে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে, প্রিমিয়ার লীগের তৃতীয় স্থানটির জন্য চেলসি’র সাথে তাদের লড়াইটি বেশ চমকপ্রদ হতে যাচ্ছে বলেই মনে হয়।

    তবে এটিও ভুলে গেলে চলবে না যে, কিছু অযাচিত সিদ্ধান্ত বা পরিস্থিতি না আসলে হয়তো থমাস টুখেলের নেতৃত্বে গত মৌসুমে চেলসি আরো ভালো অবস্থানে পৌঁছাতে পারতো। দিল হিসেবে চেলসি খুবই শক্ত, হোক তা ডিফেন্সে, মিডফিল্ডে বা ফরোয়ার্ডে। যেকোন দিক থেকে দেখলেই বোঝা যায় যে, আর্সেনাল বা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের থেকে অনেক বেশি সাজানো গোছানো একটি দল হল চেলসি, যদিও বড় বড় নাম বা প্রতিভাবান খেলোয়াড় এর দিক থেকে এই দুইটি দলও কোন অংশেই পিছিয়ে নেই। 

    টটেনহ্যাম হটস্পার্স গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লীগের শীর্ষ চারে পৌঁছাতে পারার পেছনে প্রধান কারণই হল তাদের নিকট এমন একজন ম্যানেজার রয়েছেন, যিনি কি না যেকোন কোনঠাসা পরিস্থিতি থেকে তার দলকে বাঁচিয়ে আনতে পারেন, এবং দিনশেষে সেটিকে এক ধরণের সাফল্যে পরিণত করে তুলতে পারেন। আগামী মৌসুমে তারা আরো শক্তিশালী এবং গোছানো একটি দলে পরিণত হবে, তবে এটি এখনো দেখার অপেক্ষা যে তারা সেই দলগত ঐক্যকে যেকোন ধরণের শিরোপায় রূপান্তর করতে পারেন কি না। এই মুহূর্তে যদি আপনি জিজ্ঞেস করেন, তাহলে যেকোন ফুটবল বিশেষজ্ঞই বলবে যে, স্পার্সের ধরাছোঁয়ার মধ্যে বর্তমানে কেবলমাত্র একটি শিরোপাই রয়েছে, এবং সেটি হল ক্যারাবাও কাপ (ইংলিশ লীগ কাপ)। এর পেছনে কারণ হল এটিই প্রিমিয়ার লীগের দলগুলির জেতার জন্য সবচেয়ে সহজ কাপ। প্রকৃতপক্ষে, এই কাপের ড্র এর সময় ভাগ্য কিছুটা সহায় হলেই প্রিমিয়ার লীগের যেকোন দলের জন্যই কাপটির ফাইনালে ওঠা বেশ সহজ হয়ে যায়। 

    তবে কি স্পার্স এবার পারবে তাদের শিরোপা খরা ঘোঁচাতে? এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে এখনি কিছু বলা না গেলেও, আমাদের মতে বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি শ্রেয় প্রশ্ন হবে এটিঃ আগামী মৌসুমেও কোন শিরোপা না জিততে পারলে আর কি কখনো কিছু জিততে পারবে টটেনহ্যাম হটস্পার্স?

    Share.
    Leave A Reply