বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও নামকরা ফুটবল দলগুলির জন্য জয়লাভ করাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। যদিও ফুটবলে খেলায় জয় কখনোই কারো হাতে তুলে দেওয়া হয় না, বরং ছিনিয়ে আনতে হয়, তবুও এমন অনেক খ্যাতনামা দল রয়েছে, যারা বিজয়কে নিজেদের জন্মাধিকার ধরে নিয়েছে।

    মৌসুমের পর মৌসুম, ফুটবল প্রেমীরা তাদের প্রিয় দলের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে যায় অথবা টিভি সেট এর সামনে বসে খেলা উপভোগ করে, শুধুমাত্র একটি আশা নিয়েই — “আজ আমার দল যেন জিতে যায়!” কোন কোন দল রয়েছে, যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঝড়ো ফুটবল খেলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দেয়, আবার এমনও অনেক দল রয়েছে যারা তাদের প্রতিপক্ষকে ট্যাকটিকালি বাজিমাত করে একই রকম ফলাফল অর্জন করে নেয়।

    যারা এত মনযোগ দিয়ে খেলা দেখেন, তার নিশ্চয় জানেন তাদের দলের কাছ থেকে কি আশা করা যায়, কেননা এসকল নামীদামী ক্লাবগুলির খেলার বিচিত্র ধরণই তাদেরকে বছরের পর বছর এমন ভালো ফলাফল এনে দেয়। তবে, অসংখ্য সেসব জয়, অঢেল সেই আনন্দ এবং বিচিত্র সব খেলোয়াড়দের বিভিন্ন সব অর্জনের কিন্তু একটিই লক্ষ্য — শিরোপা।

    যদিও ফুটবলের দুনিয়ায় শীর্ষস্থানীয় দল বা ক্লাবগুলি অনেক আগে থেকেই চূড়ান্ত হয়ে রয়েছে, যারা কি না নিজ নিজ লীগে অসংখ্য শিরোপাও জিতেছে, তবে তারাও এমন অনেক পিরিয়ড পার করেছে যেখানে তারা অনেক দিন ধরে কোন শিরোপার দেখা পায়নি। অনেক সময় সেসকল দলগুলি নিজেদের শক্তিমত্তা হারিয়ে ফেলে, এবং সেটি ফেরত পাওয়ার জন্য কাতর হয়ে ওঠে। এক সময় যাদেরকে দেখলে প্রতিপক্ষের হাত-পা কাঁপতে শুরু করতো, সময়ের বিবর্তনে তারাই আবার নিজেদের ছায়ায় পরিণত হয়ে যায়।

    এসকল দলের বিভিন্ন খেলোয়াড়দের মানসিকতা প্রায়শই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। বছরের পর বছর ভক্তদেরকে জয়ের পর জয় উপহার দেওয়ার পর আবার সেসকল দর্শকেরই গালি শুনতে হয় ক্লাবকে এবং ক্লাবের খেলোয়াড়দেরকেও। সারাজীবন ধরে কি কোন দল জয়ের ধারা বজায় রাখতে পারে?

    সকল বড় বড় এবং নামীদামী দলের সাথেই এমনটি ঘটেছে, এবং তেমনটি হওয়ার পেছনে বেশ কিছু যথাযথ কারণও রয়েছে।

    মৌসুমের পর মৌসুম ধরে প্রোগ্রেসিভ ওভারলোড (Progressive overload across seasons)

    ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরে খেলা এবং প্রতিনিয়ত জেতাটা সকল খেলোয়াড়ের উপরই এক ধরণের চাপ সৃষ্টি করে। এমন বড় বড় সব দলের উদ্দেশ্যই থাকে প্রতিটি ম্যাচ এবং প্রতিটি টুর্নামেন্ট জেতার জন্য খেলা, এবং মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে যদি তারা কাপ টুর্নামেন্টগুলিতে জীবিত থাকে, তাহলে স্বল্প বিরতিতে অনেকগুলি ম্যাচ তাদেরকে খেলতে হয়ে থাকে।

    তবে, সেরা দলগুলিতে সেরা সব খেলোয়াড়েরাই খেলেন, যারা সেই চাপটি নিতে পারেন, এবং মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধের সেই চাপকে জয় করে দলকে শিরোপা এনে দেন। তবে, এটিও ভুললে চলবে না যে, সেসকল সেরা খেলোয়াড়েরা তাদের জাতীয় দলেরও প্রতিনিধিত্ব করেন, এবং সব মিলিয়ে তারা বছর শেষে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। আবার, এত খেলার মধ্যে ইঞ্জুরির বিষয়টিও নজর-আন্দাজ করলে চলবে না।

    পড়ুন:  ম্যাচউইক পুরস্কার

    অতীতের অতি সফল একটি দল যারা কি না বর্তমানে শোচনীয়ভাবে স্ট্রাগল করছে তারা হল লিভারপুল। কত বেশ কিছু মৌসুম ধরে, এমনকি গত মৌসুমেও প্রিমিয়ার লীগ শাসন করেছে ম্যান সিটি এবং লিভারপুল। কিন্তু, এবারের চিত্রটি অনেকটাই ভিন্ন।

    গত মৌসুমে তারা যতগুলি টুর্নামেন্ট বা লীগেই অংশ নিয়েছিল, তার সবগুলিতেই তারা প্রত্যেকটি ম্যাচ খেলেছিল (ফাইনাল পর্যন্ত উঠেছিল)। এবারের মৌসুমে সেই অল রেডস’দের খেলা দেখলেই মনে হচ্ছে যেন তাদের ছায়া খেলেছে। প্রত্যেকটি খেলোয়াড়কেই অনেক ক্লান্তও মনে হচ্ছে।

    এছাড়া, এবারের মৌসুমে তারা যতগুলি ইঞ্জুরির শিকার হয়েছে, তাও তাদের উপর খুবই বাজেভাবে প্রভাব ফেলেছে। খুব শীঘ্রই খুবই বড় ধরণের কোন পরিবর্তন না আনলে, এমনটিই মনে হচ্ছে যে, তারা শীর্ষ চারের বাইরে থেকেই মৌসুমটি শেষ করতে চলেছে। বর্তমানে, ম্যানচেস্টার সিটি এবং লিভারপুলকে দেখলে মনে হয় যেন দুই দলের খেলার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ।

    অতিরিক্ত জেতার ফলে তৈরি হয় আত্মতুষ্টি (Too much winning creates complacency)

    জয়ের চাকাটি ঘুরতে শুরু করার আগেই হয়তো একটি দলের জন্য জেতার অভিপ্রায়টি সবচেয়ে শিখরে অবস্থান করে। এই পর্যায়ে দলটির নিকট সাধারণত থাকে তারুণ্যে ভরপুর একটি যুবা দল, যা কানায় কানায় ভরপুর থাকে প্রতিভাতে। সে সময় দলের প্রত্যেকেরই উদ্দেশ্য থাকে মাঠে নিজেদের সবটুকু ঢেলে দেওয়া, এবং ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে একটি পরম্পরা তৈরি করা।

    সেই জয়ের ক্ষুধাটি কখনোই অন্য কিছু দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যায় না। তাই, বার বার জেতার পর প্রত্যেক দলের জন্যই এমন একটি সময় আসে, যখন তারা আত্মতুষ্টিতে ভুগতে শুরু করে।

    আপনি যখন সবার উপরে থাকবেন, তখন আপনার সেই অবস্থানটির কারণেই আপনার মধ্যে আত্মতুষ্টি চলে আসবে। তবে, আপনি যখন পর্বতের শিখরে অবস্থান করবেন, তখন সকলেই চাইবে আপনার মুকুটটি কেড়ে নিতে। প্রতিনিয়তই তেমনটি করার জন্য নতুন নতুন চ্যালেঞ্জারেরও উদ্ভব হবে।

    এবারের মৌসুমের কথাই ধরুন। মাত্র ২০টি ম্যাচ খেলেই বর্তমান মৌসুমে প্রিমিয়ার লীগে ৫০টি পয়েন্ট অর্জন করে ফেলেছে আর্সেনাল। এক বছর আগেও এমনটি কি কেউ ভাবতে পারতো? তবে, আর্সেনাল এবারের মৌসুমে আসলেই লীগ শিরোপা জেতার উদ্দেশ্য নিয়েই খেলছে। এ যেন এক প্রকার “উড়ে এসে জুড়ে বসা’রই” উদাহরণ।

    এছাড়া, আর্সেনাল যুবা সব খেলোয়াড়েরাই এবার তাদের হয়ে ভালো পারফর্ম করে চলেছে। মিকেল আর্তেতা ক্লাবটিতে যেমন সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাইছেন তার সিংহভাগই গড়ে উঠবে যুবা প্রতিভাদেরকে ঘিরে।

    পড়ুন:  প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা ১০ জন গোলকিপার

    তাদের দলের গড় বয়স অনেক নিচুর দিকেই রয়েছে। অনেকের মতেই, তারা বর্তমানে ইউরোপের সবচেয়ে সুদর্শন ও সাজানো গোছানো ফুটবল খেলে চলেছে। এক কথায় বলতে গেলে, তারা বর্তমানে এক রকম অপ্রতিরোধ্যই বটে।

    ম্যানচেস্টার সিটি গত ৫টি প্রিমিয়ার লীগ শিরোপার মধ্যে ৪টিই নিজেদের ঘরে তুলেছে। সিটিজেন’রা মোটামুটি একটা ভালো মৌসুমই পার করছে, তবে মাঝে মাঝেই তাদের খেলায় আত্মতুষ্টির প্রকাশ পায়, এবং সেটি তাদের কোচ পেপ গার্দিওলাও প্রেস কনফারেন্সে নিশ্চিত করেছেন।

    সম্প্রতি ঘরের মাঠে সিটিজেনদের সর্বশেষ ম্যাচটিতে টটেনহ্যাম হটস্পার্সকে ৪-২ গোলে হারানোর পর পেপ গার্দিওলা সিটি’র দর্শকদ সমর্থকদের অনুরোধ করেছেন এমনটি বার বার না করতে। তিনি আরো বলেন, “ম্যাচ শুরুর পর থেকেই আমি আমার খেলোয়াড় ও গ্যালেরিতে বসে থাকা সমর্থকদের কাছ থেকে কোন প্রকারের সাড়াই পাইনি। দ্বিতীয়ার্ধে দেখুন, সেই মাঠটিই যেন দর্শকদের উন্মাদনায় ভাসছিল। আমি এমন এটমোস্ফিয়ার প্রত্যেক ম্যাচে চাই।”

    এই কথাগুলো নেতিবাচক মনে হলেও, তিনি চেয়েছিলেন যেন তা শুনে তার শিষ্যরা কিছুটা শিক্ষা পায়, এবং আরো উদ্যম নিয়ে খেলতে নামে। তিনি আসন্ন সব বড় বড় ম্যাচের জন্য তার খেলোয়াদেরকে এভাবেই মানসিক ট্রেনিং দিয়ে চলেছেন। এখন শুধু দেখার বিষয় একটিই, এবং সেটি হল যে, কোচের এমন কথা শুনে দলের খেলোয়াড়েরা এবং ভক্ত সমর্থকরা উদ্দীপ্ত হোন কি না, এবং মাঠে ভালো খেলে আর্সেনালের সাথে পয়েন্টের ব্যবধান কমাতে পারেন কি না।

    খেলোয়াড় এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্কের বিস্খলন (Fractured relationship between players and manager)

    রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লীগ শিরোপা জেতার পর জিনেদিন জিদান স্প্যানিশ জায়ান্ট’দের শিবিরটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার এই সিদ্ধান্তে পুরো ফুটবল বিশ্বই হতচকিত ও বিষ্মিত হয়ে পড়ে, কারণ ক্লাবটির হয়ে তিনি যেসকল কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা সাম্প্রতিক সময়ে কোন দলের কোন কোচই অর্জন করতে পারেননি। তার সিদ্ধান্তটি কেউই বুঝতে পারছিলেন না, এবং তখনি জিদান তার কারণগুলি সম্পর্কে জানান দেন।

    তিনি বলেছিলেন, “খেলোয়াড়দের একটি পরিবর্তন দরকার। আমি তাদেরকে ধন্যবাদও জানাতে চাই, কেননা দিন শেষে মাঠে গিয়ে পারফর্ম করতে হয় তাদেরকেই। এটি একটি অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন ক্লাব, এবং এর ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধরে রাখার বিষয়টি প্রত্যেকটি খেলোয়াড়ের মাথায়ই কাজ করে। আমরা সবসময়ই খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আরো বেশি আশা করে থাকি, এবং এখন আমি এমন একটি অবস্থানে পৌঁছে গিয়েছি, যেখানে আমার নতুন করে কিছু চাওয়ারই নেই তাদের থেকে। জয়ের ধারায় ফির‍তে এবং সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে হলে, তাদের তাই প্রয়োজন একটি নতুন কন্ঠের। যেকোন পেশাতেই এমন একটি সময় আসে যখন স্পষ্টতই বোঝা যায় যে, এখন আর জেতা সম্ভব না, বা এর থেকে বেশি আর অর্জন করা সম্ভব না। আমার মতে, সেই সময়টিতে সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্তটি হচ্ছে সরে দাঁড়ানো।”

    পড়ুন:  ম্যানচেস্টার সিটি বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রিভিউ

    যখন একজন ম্যানেজার বহুদিন ধরে একই দলের হয়ে একই খেলোয়াড়দেরকে প্রশিক্ষণ দিতে থাকেন, তখন এটি একটি স্বাভাবিক বিষয় যে, সময়ের সাথে সাথে তার কথার ও পরিকল্পনার গুরুত্ব সেসকল খেলোয়াড়দের কাছে কমতে থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে একটি ক্লাবকেও এই সিদ্ধান্তটি নিতে হয় যে, তারা কি ম্যানেজারের জন্য খেলোয়াড়দেরকে পরিবর্তন করবেন, নাকি ম্যানেজারকেই সরে দাঁড়াতে দেবেন। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই জিদান নিজে থেকেই চেয়েছিলেন ক্লাবটি ছাড়তে।

    আরো একটু কম সফল ক্লাবের দিকে তাকালে দেখা যায় যে, টটেনহ্যাম হটস্পার্স তাদের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো সময়টি কাটিয়েছে মৌরিসিও পোচেত্তিনোর অধীনে থাকাকালীন। তার অধীনে থাকাকালীন স্পার্স প্রিমিয়ার লীগের সেরা দলগুলির একটিতে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু, তাকে ২০১৯ সালে চাকরিচ্যুত করা হয়। তার কিছুদিন আগেই অবশ্য এই আর্জেন্টাইন ম্যানেজার তার নর্থ লন্ডনের ক্লাবকে নিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনাল খেলেছিলেন।

    জিনেদিন জিদান এর মত সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত না নিয়ে তিনি দলটি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছিল, এবং স্বরূপ একটি প্রস্তাব ক্লাব কর্তৃপক্ষের নিকট উত্থাপন করেছিলেন, কারণ তিনিও হয়তো অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, তার খেলোয়াড়েরা আর তার ধ্যান ধারণাকে সায় দিচ্ছিলেন না। তার ক্লাব অবশ্য তার সেই ঢেলে সাজানোর প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে, এবং তার সাথে চুক্তি নিষ্পন্ন করে দেয়।

    একটি ক্লাবের সাফল্যের এক পরেযায়ে এসে সকলে অনুধাবন করতে পারে যে, এখন দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা অতীব জরুরি। এর পেছনে কারণ হতে পারে এই যে, দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বয়স অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে অথবা তাদেরকে অন্য কোন দল অনেক বেশি অর্থের বিনিময়ে কিনে নিয়েছে। এভাবেই অনেক সাফল্যের ধারায় ব্যাঘাত ঘটে, এমনকি ইতিও ঘটে যায়।

    একই দলে বহু বছর কাটিয়েছেন এমন অনেক ম্যানেজারকেই সফলতা ধরে রাখার জন্য তার দলে কয়েক বছর পর পর বিশাল আকারে পরিবর্তন আনতে দেখা গিয়েছে।

    এমনটি করার ফলে তারা একই দলের নেতৃত্বে থাকাকালীন ভিন্ন ভিন্ন সব জেনারেশনকে তুলে ধরতে পারেন। স্যার আলেক্স ফার্গুসনের কথাই ধরা যাক। তিনি রুড ভ্যান নিস্টেলরয় এবং ডেভিড বেকহ্যাম এর মত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দেরকে তাদের ক্যারিয়ারের প্রাইম সময়ে ক্লাব ছাড়তে দিয়েছিলেন, এবং তারপরও তিনি তার দলের সাফল্যে এতটুকুও কমতি আসেনি।

    খেলা হিসেবে ফুটবল প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। সময় এখানে কারো জন্যই থেমে থাকে না। ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে তাই বর্তমানেই পরিকল্পনা করতে হবে একটি শাস্বত ভবিষ্যতের। তবেই গিয়ে আজ থেকে বেশ কিছু বছর পরেও একটি দলের সাফল্য বজায় থাকবে।

    Share.
    Leave A Reply