ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০২১ সালের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে ৭২ মিলিয়ন ইউরোর আশেপাশে একটি ফি এর বিনিময়ে জার্মান বুন্দেসলিগার দল বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে জ্যাডোন স্যাঞ্চোকে দলে ভেড়ায়। এই ট্রান্সফারটিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সমর্থকরা খুবই ধুমধাম সহকারে স্বাগত জানায়, এবং তাদের সবার মুখেই হাসির ঝলকানি ফিরে আসে। তবে, শত আশার চাপে তার ঘরের মাটিতে ফিরে আসাটি একটি হতাশাজনক ট্রান্সফারে রূপ নেয়। প্রতিভাবান এই উইংগারকে দুই বছর আগেও বিশ্বের সবচেয়ে উত্তম যুবা খেলোয়াড়দের তালিকায় রাখা হলেও, বর্তমানে তিনি সেই তালিকা থেকে বহুদূরে অবস্থান করছেন। 

যদিও বেশির ভাগ ফুটবল পন্ডিত বা বিশেষজ্ঞরা স্যাঞ্চোর খারাপ পারফর্মেন্সগুলোর জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বাজে ম্যানেজমেন্ট এবং বাজে কোচিংকেই দায়ী করেছেন, তবুও অনেকে এটিও বলেছেন যে, এই খেলোয়াড়টি প্রিমিয়ার লীগের জন্য একদমই মানানসই নন। গতিশীল এই উইংগার তার ক্যারিয়ার ম্যানচেস্টার সিটিতে শুরু করলেও তার ছোট্ট ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সাফল্যমণ্ডিত সময় তিনি পার করেছিলেন সেই জার্মান বুন্দেসলিগাতেই, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এর হয়ে খেলার সময়।

এই ব্যাপারে প্রচুর বিতর্ক থাকলেও, অনেকেই আমাদের সাথে একমত হবেন যে, জার্মান বুন্দেসলিগার গুণমান বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের চেয়ে অনেকটাই নিচের দিকে, এবং তার পেছনে কারণও রয়েছে প্রচুর। বুন্দেসলিগাকে মানা হয় এমন একটি লীগ হিসেবে যেখানে বিশ্বমানের স্ট্রাইকার বা উইংগাররা হেসে খেলে গোল দিয়ে থাকেন। অন্য দিকে, প্রিমিয়ার লীগ অপেক্ষাকৃতভাবে একটি রক্ষণশীল লীগ, যেখানে ডিফেন্ডাররা হোন অধিক শারিরিক গুণাবলির অধিকারী, বেশ শক্ত, এবং তারা বুন্দেসলিগার ডিফেন্ডারদের মত আক্রমণে ততটা যুক্তও হোন না, যার ফলে প্রতিপক্ষের অ্যাটাকাররাও আক্রমণ করার জন্য সচরাচর বেশি ফাঁকা জায়গা পেয়ে থাকেন না।

স্যাঞ্চোর অনুকূলে বলতে গেলে, তিনি এমন একটি ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন, যে ক্লাবের ম্যানেজার ট্রাঞ্জিশনাল প্লে এবং পজিশনাল মুভমেন্ট সম্পর্কে কিছু জানতেন না বললেই চলে। সেই ব্যাপারটি অবশ্যই তার জন্য বেশ কঠিন ছিল, কারণ তিনি এর আগে এমন একটি দলে খেলেছেন, যাদের খেলার সিস্টেম পুরোপুরিভাবে কার্যকর ছিল। স্যাঞ্চো এমন একজন খেলোয়াড় যার জন্য ম্যানেজার হিসেবে দরকার ছিল এমন একজনকে যিনি হলেন অ্যাটাকিং ফুটবলের প্রবক্তা, যেমনটি ছিলেন ডাচ কিংবদন্তি ফুটবলার ইয়োহান ক্রুইফ, যাকে কি না টোটাল ফুটবলের জনক বলা হয়ে থাকে।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে রাল্ফ রাঙনিকের আগমণ যিশু খ্রিষ্টের সামনে জন দ্য ব্যাপটিস্ট এর আগমণের সাথে তুলনা করা হয়েছিল। ধারণা করা হয়েছিল যে, এরিক তেন হাগ এর অধীনে দলটি যেভাবে খেলতে চায়, তারই ঝলকানি তারা তুলে ধরবে রাল্ফ রাঙনিকের অধীনেও, বা কমপক্ষে তার প্রস্তুতি গ্রহণে অগ্রসর হবে তারা। কিন্তু, এমন কিছু তো ঘটেইনি, বরং তার ঠিক উল্টোটাই ঘটেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। দলটি উন্নতির পথে আগানোর বদলে রাঙনিকের অধীনে থাকাকালীন তারা অবনতির দিকে আরও অনেকটা পিছিয়ে যায়।

পড়ুন:  সর্বকালের সেরা 5টি সবচেয়ে সফল ইংলিশ ফুটবল ক্লাব

গত এক দশকের পর এবারই এরিক তেন হাগ এর অধীনে প্রথমবারের মত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সম্পূর্ণরূপে অ্যাটাকিং ফুটবল খেলতে চলেছে, এবং সেটি জ্যাডোন স্যাঞ্চোর মত উদীয়মান আক্রমনাত্মক খেলোয়াড়দের জন্য আসলেই খুবই ভালো একটি সংবাদ। তবে, আলোচনার এই পর্যায়ে, আমাদের দরকার কিছু অতি জরুরি বিষয় নিয়ে কথা বলা।

জ্যাডোন স্যাঞ্চো কি প্রিমিয়ার লীগের জন্য মানানসই? (Is Sancho Premier League material?)

গত মৌসুমে খুব একটা ধারাবাহিকতা দেখাতে না পারলেও, নির্দিষ্ট কিছু ম্যাচে তিনি তার প্রতিভার ঝলকানি দেখাতে সক্ষম হয়েছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল এতিহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যানচেস্টার ডার্বিটি, চেলসি’র বিরুদ্ধে তার দলের শ্বাসরুদ্ধকর ড্র, এবং আরও কিছু লীগ ম্যাচ। কিন্তু তারপরও অনেকেই তার কার্যকারিতা নিয়ে সন্দীহান এবং তাদের মতে তিনি প্রিমিয়ার লীগের জন্য এখনো পুরোপুরিভাবে তৈরি নন।

আমরা জানি, প্রিমিয়ার লীগে একজন সফল ফুটবলার হতে হলে শক্তি, গতি এবং বুদ্ধিমত্তার একটি সংমিশ্রণ ঘটানো খুবই প্রয়োজন। হ্যাঁ, এমনও অনেক খেলোয়াড় আছে যারা এসকল গুণ না থাকা সত্ত্বেও লীগটিতে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন, কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী রয়েছে যে এই গুণগুলি উপস্থিত থাকলেই খেলোয়াড়দের জন্য এই লীগে টিকে থাকা অধিকতর সহজ হয়ে ওঠে। পূর্ববর্তী খেলা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, স্যাঞ্চোর নিকট উপরিউক্ত সকল গুণই উপস্থিত রয়েছে, কিন্তু একটি অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে, এবং সেটি হল — অতিরিক্ত ড্রিবলিং করা।

 

এই ইংলিশ উইংগারের খেলার বেশ বড় অংশ জুড়েই অবশ্য রয়েছে ড্রিবলিং করা। তিনি বাম পার্শ্বের উইং দিয়ে ড্রিবল করে কাট-ইন করে থাকেন, এবং তারপর তিনি ডি-বক্সের ভেতরে বা আশেপাশে ফাঁকা জায়গা খুজে নিয়ে শুট বা ক্রস করেন। এছাড়া তিনি ক্রসিং এর ক্ষেত্রে খুবই নির্ভরযোগ্য একজন খেলোয়াড়, এবং সেজন্যই বিভিন্ন সেট-পিস পরিস্থিতিতে তিনি বেশ কার্যকরও বটে।

যদিও এটি পুরোপুরিভাবে সত্য যে, তিনি এতদিন একটি সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দলে খেলে এসেছেন, নতুন ম্যানেজারের অধিনে তিনি দলটির জন্য মোক্ষম ভূমিকা পালন করার ক্ষমতা রাখেন, এবং দলটির আক্রমণভাগে গতির সঞ্চার করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারেন। এছাড়া, তাকে তার কার্যক্ষমতা বা ওয়ার্ক রেট বাড়ানোর জন্যও আরো খাটতে হবে। গত মৌসুমের বিভিন্ন সময়ে নানান বিশারদরা এই ব্যাপারটি তুলে ধরেছেন যে, প্রেসিং এর ক্ষেত্রে বা ট্র‍্যাক ব্যাক করার সময় স্যাঞ্চো প্রায়শই অলসতার পরিচয় দিয়েছেন, যা তার পরিবর্তন করা খুবই দরকার।

স্যাঞ্চোসহ ইউনাইটেডের সকল খেলোয়াড়েরই আরো জোড়ে দৌড়ানো দরকার (The United players need to run harder, including Sancho)

এই ক্ষেত্রবিশেষে আমরা পুরো দোষ এই ইংলিশ উইংগারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পারি না। ২০২১-২২ মৌসুমের শুরুতেই তিনি দুর্ভাগ্যজনকভাবে পড়েছিলেন একটি ইঞ্জুরিতে, যা নতুন দলে তার তালমিল অনেকটাই নষ্ট করে দিয়েছিল এবং সিজনের শুরুতেই তাকে ব্যাক ফুটে ফেলে দিয়েছিল।

পড়ুন:  প্রিমিয়ার লীগ ম্যাচউইক 34 অ্যাওয়ার্ডস

এছাড়া, তখনকার ইউনাইটেড ম্যানেজার ওলে গানার সলসকিয়ের এর গেমপ্ল্যান বা স্ট্র‍্যাটেজিও স্যাঞ্চোর জন্য খুব একটা মানানসই ছিল না। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড, সলসকিয়ের, তার বিদায় এর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ঠিক করতে পারেননি যে তিনি স্যাঞ্চোর কাছ থেকে কি চান বা তাকে কোন পজিশনে খেলাতে চান। তার খেলা দেখেই বোঝা যাচ্ছিল যে সলসকিয়ের এর ট্যাকটিক্স তার খেলার ধরণের সাথে একদমই মানানসই নয়, এবং তার অধীনে তিনি কখনোই তার সেসকল পারফর্মেন্স ফিরে পাবেন না, যেসকল পারফর্মেন্সের উপর ভর করে তিনি জার্মান ফুটবলের চূড়ায় পৌঁছেছিলেন। 

স্যাঞ্চো তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ভালো তখনই খেলেছেন, যখন তার সতীর্থ হিসেবে তিনি এমন কিছু খেলোয়াড়কে পেয়েছেন, যারা প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের মাঝখান দিয়ে দৌড় দিতে পারতেন। ডি-বক্সের ভেতরে বা আশেপাশে স্পেস খোঁজার ক্ষেত্রে তিনি বেশ পটু একজন খেলোয়াড়। এছাড়াও তিনি পরিচিত স্ট্রাইকারদের দিকে ভাসমান পাস প্রেরণের জন্য। এমন পাসের সবচেয়ে বড় গ্রাহক ছিলেন নরওয়েজিয়ান স্বর্ণ বালক, আর্লিং হাল্যান্ড, যিনি কি না এই ইংলিশ উইংগারের বানিয়ে দেওয়া অনেক বলই প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়েছেন। এই দুই প্রতিভাবান যুবা খেলোয়াড় এখন ম্যানচেস্টার ডার্বিতে একে অপরের মুখোমুখি হবেন, কারণ এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে ম্যানচেস্টার সিটি হাল্যান্ডকে কিনে নিয়েছে মাত্র ৫১ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে।

এই ২২ বছর বয়সী খেলোয়াড়টিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিনেছিল একজন উড়ন্ত উইংগার হিসেবে, যিনি কি না তার অসামান্য গতির উপর ভর করে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদেরকে পেছনে ফেলে দিতে সক্ষম, এবং তার দলের ফরোয়ার্ডদের দিকে সুন্দর সুন্দর ক্রস এগিয়ে দিতেও বিশেষভাবে পারদর্শী। যদিও তিনি তার এক বছর বয়সী ইউনাইটেড ক্যারিয়ারে বেশ কিছু বার তার প্রতিভার ঝলকানি দেখাতে সক্ষম হয়েছেন, তারপরও এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই যে, তিনি তখনই সবচেয়ে বেশি সাফল্যের দেখা পাবেন যখন তার দলের অধীনে বেশির ভাগ পজিশন থাকবে। কেবলমাত্র তেমনটি হলেই তিনি আবার তার সেরাটা দিতে পারবেন। তবে এটিও বলার অপেক্ষা রাখে না যে, কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবলেও স্যাঞ্চো সমানভাবে পারদর্শী।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের চিহ্নিত কিছু সমস্যার মধ্যে অন্যতম হল প্রতিপক্ষের ডিফেন্স চিড়ে ইচ্ছাকৃতভাবে দৌড় দেওয়ার মত তেমন কোন খেলোয়াড় তাদের দলে বর্তমানে নেই। যদিও ক্লাবটিতে মার্কাস র‍্যাশফোর্ড বা মেসন গ্রিনউড এর মত গতিদানবেরা উপস্থিত রয়েছে, তবুও তাদের পূর্ববর্তী ম্যানেজারেরা তাদের মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে নিতে অক্ষম হয়েছেন। 

পড়ুন:  কিভাবে গার্দিওলা শহরকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে এসেছে

ব্রুনো ফার্নান্দেজ এর মত প্রতিভাবান একজন খেলোয়াড়ও তাদের দলে রয়েছেন, যিনি কি না ট্রাঞ্জিশনাল খেলায় খুবই সুন্দর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। কিন্তু, পূর্ববর্তী ম্যানেজারদের অধীনে তাকে খুব তাড়াতাড়ি পাসিং করার জন্য বাধ্য করা হয়েছে, যার ফলে প্রতি ম্যাচেই তাকে বহুবার বল নষ্ট করতেও দেখা গিয়েছে।

এক দশক আগের মত গতি এখন বিশ্বখ্যাত তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর পায়েও নেই। এখন তিনি উইংগের পরিবর্তে ফরোয়ার্ড লাইনের মাঝামাঝি অবস্থান করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কারণ সেখানেই তিনি পান বেশি বেশি গোল। তাদের দলের আরেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় মার্কাস র‍্যাশফোর্ড এর প্রধান অস্ত্রই হল তার গতি। কিন্তু, বেশির ভাগ সময়ই তিনি সেটির সদ্ব্যবহার করতে পারেন না, যার প্রমাণ আমরা গত মৌসুমেও পেয়েছি।

তেন হাগই পারবেন স্যাঞ্চোর মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে আনতে (Ten Hag can help Sancho improve)

জ্যাডোন স্যাঞ্চো এমন একটি দলে বা সিস্টেমে খেলে এসেছেন, যা আসলেই কার্যকর। গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে তিনি যে সিস্টেমে খেলেছেন তা মোটেও কার্যকর ছিল না, বরং তা ছিল খুবই বিরক্তিকর একটি সিস্টেম, যা ভক্ত সমর্থকদের থেকে শুরু করে সকল ফুটবলপ্রেমীদেরকেই ক্ষিপ্ত করেছিল। স্যাঞ্চোর উচিৎ আবারও ফুটবলে সম্পূর্ণভাবে মনোনিবেশ করা এবং দিনরাত পরিশ্রম করা। গত মৌসুমে তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগই ছিল যে, তিনি বহু খেলায়ই অদৃশ্য হয়ে পড়েছিলেন। প্রিমিয়ার লীগের মত একটি কঠিন লীগে খেলার সময় তার সবসময়ই মনে রাখতে হবে যে, এক মুহূর্তের জন্যও তার মনযোগ সরিয়ে নেওয়াটা তার দলের জন্য ঘাতক প্রমাণিত হতে পারে।

এরিক তেন হাগ তার আক্রমণাত্মক প্লেয়িং স্টাইলের জন্য বিখ্যাত, এবং তার আগমণের ফলে এই ২২ বছর বয়সী উইংগার আবারো তার আত্মবিশ্বাস অনেকখানিই ফিরে পাবেন বলেই আশা করা যায়।

এই ডাচ ম্যানেজার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নিয়ে আসবেন ট্রাঞ্জিশনাল প্লে, ত্রিকোণাকার পাসিং মডেল, এবং একটি কার্যকরী ও দ্রুতগতির প্লেয়িং সিস্টেম। তার এই প্লেয়িং স্টাইল থেকে সবচেয়ে বেশি যে খেলোয়াড়টি সুবিধা করে নিতে পারবেন, তিনি হলেন জ্যাডোন স্যাঞ্চো।

তবে, এ ব্যাপারেও কোনই দ্বিমত নেই যে, সফল হতে হলে স্যাঞ্চোকে তার খেলা থেকে কিছু সমস্যাজনক দিক ছাঁটাই করতে হবে, এবং তার নতুন কোচের সকল নির্দেশনা পুংখানুপুংখভাবে অনুসরণ করতে হবে। তেমনটি যদি তিনি করতে পারেন, তাহলে আমরা অবশ্যই আশা করতে পারি যে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে কাটানো তার প্রথম মৌসুমের তুলনায় আগামী মৌসুমে স্যাঞ্চো নিজের খেলায় কিছুটা হলেও উন্নতিসাধন করতে পারবেন।

Share.
Leave A Reply